• শনি. জানু ১৬, ২০২১

হোটেল হাসান ডট কম

আমার অনলাইন পত্রিকাতে প্রবেশ করায় আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা

শেষ ঠিকানা এম এ সবুজ মোল্লা

শেষ ঠিকানা এম এ সবুজ মোল্লা

শেষ ঠিকানা এম এ সবুজ মোল্লা
Part2 বুকের গভীরে জাগে ভালবাসার আশার তরী বারবার দুচোখে ভাসে শিউলির মায়াবী চেহারা কানে বাজে মিষ্টি মধুর কথার

শুর এক পলকের এক ঝলক দেখায় শিমুল ভালবেসে ফেলে শিউলি কে। শিউলি কে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারছে না শিমুল ।

পরের দিন শিমুল তার বন্ধুদের সাথে মিঠাপুকুর ইকো পার্কে ঘুরতে যায় কিন্তু শিউলি যে তার হৃদয় জুড়ে আছে তাকে ছাড়া

কিছুই ভাল লাগছেনা । শিমুলের বন্ধুরা বলে কিরে তোকে কেমন যানি লাগছে বিষয় কি ?কারো প্রেমে পরলি নাকি ?

কালকে নদীর ঘাটে একজন কে দেখেছি তার পর থেকে কিছু ভাল লাগছে না । ও তাই নাকি তা তোর সেই পরীর বাসা কোথায়?

রংপুরে নাম কি কি করে ? নাম শিউলি বাংলা সাহিত্য নিয়ে কারমাইকেল এ পড়ছে ও দারুণ তো পরিচয় হলো কিভাবে? দেখি

মালের ছবিটা , ধুর শালা সবে পরিচয় ও । কথা বলতে বলতেই লুনার সাথে দেখা শিমুল ভাবছে লুনা যেহেতু এখানে তাহলে শিউলি

ও আছে শিউলি তো শিমুল কে পেয়ে অবাক কি খবর শিমুল ভাই আপনি এখানে : বন্ধু দের সাথে ঘুরতে আসছিলাম । যাক ভালই

হলো আপনার ক্যামেরা দিয়ে আমাদের কয়েকটা ছবি তোলেন তো শিমুল সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল । ইকো পার্ক থেকে

বের হয়েই এক বন্ধু বললো দোস্ত মালটাতো যটিল । সামলে রাখিস আর আজকে আমাদের সবাইকে তোকে খাওয়াতে হবে কিন্তু

কোন ছাড় নাই।ok শিমুল বাসায় ফিরলে ও মনটা ছটফট করতে থাকে শিউলির জন্য। সপ্তাহে দুয়েক পরে কারমাইকেল

কম্যাপাশে আবার দেখা হয় শিমুল শিউলির ।শিমুল ভালবাসার সম্মোহনী টানে অস্ফুট স্বরে বলে তোমাকে না মানে আপনাকে

একটি প্রশ্ন করবো আশা করছি সঠিক উত্তর দিবেন । বলেন:না মানে বলছিলাম কি তু,,তুমি,না মানে আপনি কি কাউকে:কি

হলো থামলেন যে বলে ফেলেন থাক আজ নয় অন্যদিন বলবো ।শিমুল কিছুই বলতে পারলো না ।লাজুক ভাবে অপলক দৃষ্টিতে

চেয়ে রইলো । শিউলি বললো আচ্ছা ঠিক আছে আমি একটু লাইব্রেরীতে যাব যাবে নাকি হুম যাওয়া যায় চলো।ওরা দুজনে

লাইব্রেরি তে গিয়ে কিছু বই নিয়ে বের হয় । প্রচন্ড গরম বাইরে বের হয়ে দুজনে কিছুক্ষণ গল্প করে দুজন দুজনকে বিদায়

জানিয়ে সেদিনের মত চলে যায়। শিউলির ওশিমুলকে ভাল লাগতে শুরু কর। উভয়ের মনের ভিতর নিদারুণ ভালবাসার ছটফটানি শুরু হয়।
একজন আরেকজনকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। মাঝ খানে বেশ কিছুদিন ওদের দেখা হয়না। ২৫ শে মার্চ শিউলির

কাজিন লাভলীর বাথডে উপলক্ষ্যে শিমুল কে ইনভাইট করে । ওখানে গিয়ে শিউলি র সাথে দেখা হয়। শিমুল অনেক খুশি হয়

তার প্রিয়তমা কে এক পলকের একটু দেখা পেয়ে।একমাস পরেগ্রীষ্মকালের ছুটি পেয়ে শিউলি আবার মুক্তার বাসায় আসে ।

শিউলি শিমুলে কাছে খবর পাঠায় শিমুল বিকালে নদীর পাড়ে আসে উভয়ের দেখা হয় ।চোখের ভাষায় বলা হলো হাজার বছরের

না বলা কথা ।কুশল বিনিময় শেষে গোধূলি বিকাল টা কাটলো যমুনাশ্বরীর বিশাল কাশবনে next part,,,,3

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *